Buscar
07:11h. Lunes, 16 de diciembre de 2019

মিছিল ‘অন্যায়-অবিচার’

মিছিল ‘প্রতিবাদ’-এর। মিছিল ‘অন্যায়-অবিচার’-এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। কিন্তু, কীসের প্রতিবাদ? অন্যায়-অবিচারই বা কী ধরনের?

মিছিল ‘প্রতিবাদ’-এর। মিছিল ‘অন্যায়-অবিচার’-এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। কিন্তু, কীসের প্রতিবাদ? অন্যায়-অবিচারই বা কী ধরনের?

শুত্রবার দুপুরে নন্দন থেকে শুরু হওয়া লেখক-শিল্পী-অভিনেতাদের মিছিল শুরু হল। শেষও হল এক সময়। কিন্তু, ওই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল না! এ যেন সিলেবাসের বাইরের প্রশ্ন!

‘বাংলা আমার গর্ব’, ‘বাংলার অপমান আমার অপমান’-এর মতো নানা পোস্টার-ফেস্টুনে মিছিল ভরে থাকলেও সেই মিছিলে পা মেলালেন যাঁরা, তাঁরা অনেকেই জানেন না, ঠিক কী কারণে মহানগরীর পথে নামতে হয়েছে তাঁদের। মিছিলে দেখা গেল দেব-সোহম-রাজ চক্রবর্তী-নুসরত-রিমঝিমদের। ছিলেন ইন্দ্রনীল সেন, সৈকত মিত্র, রুদ্রনীল ঘোষরাও। এবং অবশ্যই ছিলেন এই মিছিলের তিন প্রধান উদ্যোক্তা অভিনেতা অরিন্দম শীল, কবি সুবোধ সরকার এবং টলিউডের প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা-ও।

শুধু এই বিশিষ্টজনেরাই নন, লেখক-শিল্পী-অভিনেতাদের এই মিছিলে ছিল এমন আরও বেশ কিছু মুখ, যাদের কাছে এই মিছিল নিয়ে স্পষ্ট কোনও ধারণাই নেই। কেউ কেউ বলেছেন, তিনি বুদ্ধিজীবী, টলিউডের টেকনিসিয়ান। কেউ বা জানিয়েছেন, তিনি স্রেফ সেলিব্রিটিদের কাছ থেকে দেখতে এসেছেন। কেউ দাবি করেছেন, তিনি স্থানীয় ক্লাবে সাংস্কৃতিক কাজকর্ম করেন। কেউ বা আরও অকপট: ‘আসতে বলেছিল, তাই চলে এসেছি।’

বস্তুত, সারদায় ধরপাকড়ের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গর্জে ওঠার পর থেকেই শুরু হয়েছিল সংস্কৃতি জগতকে পথে নামানোর তোড়জোড়। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই মঞ্চ থেকে তাঁর অনুগতদের এই নির্দেশ দেন। কাজেই মিছিলের ‘শো’ হিট করাতে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে চেষ্টার ত্রুটি ছিল না এতটুকুও। ‘প্রতিবাদী’ মিছিলে দেখা গিয়েছে রণ-পা পরা বেশ কয়েক জন ছো শিল্পীকেও। তবে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়েছেন বেশ কয়েক জন লেখক-শিল্পী।

নন্দন থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল দুপুর ১টায়। আধ ঘণ্টা দেরি করে তা শুরু হয় দেড়টা নাগাদ। ঘণ্টাখানেক পরে মিছিল শেষ হয় আকাদেমি চত্বরে। তার পর?

প্রশ্নগুলো সহজ, কিন্তু উত্তর রয়ে গেল অজানাই!